বাসেল থেকে দিনের বেলা ভ্রমণ: সেরা গন্তব্য ও ট্যুর 2026
সুইজারল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত বাসেল, ঐতিহাসিক স্থাপত্য, বিশ্বমানের জাদুঘর এবং প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক দৃশ্যের এক অপূর্ব মিশ্রণ। রাইন নদীর তীরে অবস্থিত এই শহরটি কেবল নিজেই আকর্ষণীয় নয়, বরং এর চারপাশের মনোমুগ্ধকর এলাকাগুলো অন্বেষণের জন্য একটি আদর্শ কেন্দ্র। তুমি যদি বাসেল-এ নতুন আসো বা এখানকার বাসিন্দা হও, শহর ছেড়ে বেরিয়ে প্রকৃতির সান্নিধ্য বা ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শনের একটি দিন কাটানোটা হতে পারে এক অনবদ্য অভিজ্ঞতা। বিশেষ করে, যারা একা ভ্রমণ করছেন এবং নতুন বন্ধু খুঁজছেন, তাদের জন্য urlaubspartner.net-এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলো বাসেলের আশেপাশে ভ্রমণের সঙ্গী খুঁজে পেতে সাহায্য করতে পারে। এই গাইডটি আপনাকে বাসেলের কাছাকাছি সেরা ডে ট্রিপগুলির একটি ধারণা দেবে, যা অল্প সময়ে ঘোরা এবং নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য উপযুক্ত। আমরা ট্রেন, গাড়ি বা বাসে সহজে যাওয়া যায় এমন সব জায়গার কথা বলব, যা আপনার ভ্রমণকে আরও সহজ করে তুলবে।
আমাদের লক্ষ্য হলো আপনাকে এমন কিছু রুটের সন্ধান দেওয়া, যা বাসেল থেকে ১ থেকে ৩ ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছানো সম্ভব। এখানে শুধু জনপ্রিয় স্থানই নয়, কিছু কম পরিচিত কিন্তু অসাধারণ জায়গার কথাও উল্লেখ করা হবে। ঐতিহাসিক শহর, শান্ত হ্রদ, সবুজ বনানী, পাহাড়ের কোলে অবস্থিত গ্রাম, ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান – সব ধরনের গন্তব্যের উল্লেখ থাকবে। প্রতিটি স্থানের জন্য আমরা যাতায়াতের মাধ্যম, আনুমানিক সময় ও খরচ, সেখানে কী কী দেখবেন, কতক্ষণ সময় লাগবে, বছরের কোন সময় ভ্রমণ করা ভালো এবং গাড়ি ছাড়া যাওয়া সম্ভব কিনা – এই সব তথ্য বিস্তারিতভাবে দেব। তাই আপনার ব্যাগ গুছিয়ে নিন, কারণ বাসেল থেকে এক অসাধারণ অ্যাডভেঞ্চার অপেক্ষা করছে!
এই ভ্রমণ নির্দেশিকাটি তৈরি করার সময়, আমরা চেষ্টা করেছি বাসেলের আশেপাশে থাকা বৈচিত্র্যময় গন্তব্যগুলির একটি সম্পূর্ণ চিত্র তুলে ধরতে। আপনি কি ঐতিহাসিক দুর্গগুলিতে ঘুরে বেড়াতে চান, নাকি আল্পসের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করতে চান, অথবা কোনও শান্ত হ্রদের ধারে নিরিবিলি সময় কাটাতে চান? বাসেলের আশেপাশে যেকোনো ধরনের ভ্রমণকারীর জন্য কিছু না কিছু অবশ্যই আছে। আমরা শুধু বিখ্যাত পর্যটকদের গন্তব্যগুলির উপরই মনোযোগ দিইনি, বরং কিছু স্থানীয় গোপন স্থানও চিহ্নিত করেছি, যা আপনাকে ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা দেবে। এই ধরণের দিনের ভ্রমণগুলি প্রায়শই একাকী ভ্রমণকারীদের জন্য নতুন বন্ধু খুঁজে পাওয়ার একটি দুর্দান্ত সুযোগ তৈরি করে; urlaubspartner.net-এর মতো কমিউনিটিতে যোগ দিয়ে আপনি তেমনই কাউকে খুঁজে পেতে পারেন, যে আপনার এই অ্যাডভেঞ্চারে সঙ্গী হতে পারে।
বাসেল তে ভ্রমণ সঙ্গী: এই Travel Buddies দের সাথে বাসেল ঘুরে দেখুন
এখন বাসেল থেকে এই ভ্রমণ-উৎসাহী মানুষদের সাথে চ্যাট করুন এবং শহরটি ব্যক্তিগতভাবে ঘুরে দেখুন
+2 আরও ছবিvor 5 TagenUrlaubspartnerin gesucht: Abenteuer, Strand & prickelnde Zweisamkeit
Matteo, 47 (পুরুষ) খুঁজছেন Reisepartnerin
Hi du! Ich (m) suche für meinen nächsten Urlaub eine offene, lebensfrohe und abenteuerlustige Reisebegleitung. Wohin es geht? Das entscheiden wir gemeinsam! Ich bin völlig flexibel: Ob entspannter **Badeurlaub**, ein spontaner **Fly & Dr...
vor 1 MonatReisepartner/in mit ähnlichem Mindset gesucht
Rossi, 46 (পুরুষ) খুঁজছেন Reisepartner/in
Ich suche eine unkomplizierte und offene Reisebegleitung für gemeinsame Reisen in den Süden ️ Mir geht es nicht um Luxus oder oberflächliche Dinge, sondern um schöne gemeinsame Erlebnisse, gute Gespräche, lachen, essen, entdecken und einfac...
+1 আরও ছবিvor 11 MonatenSchöne 18 Tage auf Gran Canaria
Christian, 59 (পুরুষ) খুঁজছেন Reisepartnerin
Reiselink Gran Canaria ruft – suchst du auch Sonne, Meer & Entspannung? ????☀️ Ich bin Christian, 59 Jahre, 1,78 m groß, 80 kg schwer (BMI 25,2), gut aussehend, schlank und stark tätowiert. Ich habe viele Jahre als Reiseleiter in Griechenland, Sp...
জুরিখ: আলপাইন দৃশ্যের প্রবেশদ্বার
বাসেল থেকে মাত্র ৪০০ sucre (সুইস ফ্রাঙ্ক) খরচে ট্রেনে মাত্র কিছুক্ষণের মধ্যেই পৌঁছে যাওয়া যায় জুরিখ, যা সুইজারল্যান্ডের বৃহত্তম শহর এবং বিশ্বজুড়ে আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। জুরিখ হ্রদের তীরে অবস্থিত এই শহরটি আধুনিকতা এবং ঐতিহ্যের এক চমৎকার মেলবন্ধন। এখান থেকে আপনি আল্পসের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন, বিশেষ করে যদি আপনি উটলিবার্গ (Uetliberg) পাহাড়ের চূড়ায় যান। ট্রেনে বা কেবল কারে করে সেখানে পৌঁছানো যায় এবং সেখান থেকে জুরিখ শহর ও আল্পসের প্যানোরামিক ভিউ পাওয়া যায়। জুরিখের ওল্ড টাউন (Altstadt) বা 'আল্টস্টাড্টে' সরু রাস্তা, ঐতিহাসিক গির্জা যেমন গ্রোসুমুন্স্টার (Grossmünster) এবং ফ্রাউমুন্স্টার (Fraumünster) ঘুরে দেখতে পারেন। লাইনের (Limmat) ধারে হেঁটে বেড়ানো বা কোনও ক্যাফেতে বসে স্যুভেনির কেনাকাটা করাও একটি সুন্দর অভিজ্ঞতা। পুরো শহরটি ভালোভাবে দেখতে এবং আল্পসের দৃশ্য উপভোগ করতে একটি পুরো দিনের প্রয়োজন হবে। গ্রীষ্মকাল (জুন-আগস্ট) এখানে ভ্রমণের সেরা সময়, যখন আবহাওয়া মনোরম থাকে। জুরিখ একটি প্রধান পরিবহন কেন্দ্র হওয়ায়, এখানে গাড়ি ছাড়াই সহজে ঘোরা যায়। একটি ট্যুর বা গাইডেড ওয়াক আপনাকে শহরের ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে আরও গভীরে জানতে সাহায্য করতে পারে, যা একা ভ্রমণকারীদের জন্য খুবই উপকারী। urlaubspartner.net-এর মাধ্যমে হয়তো জুরিখ ভ্রমণের জন্য নতুন বন্ধুও পেয়ে যেতে পারেন!
জুরিখ হ্রদে একটি বোট রাইড নেওয়াটাও এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা দিতে পারে, বিশেষ করে গরমকালে। বিভিন্ন আকারের বোট উপলব্ধ, কিছু কেবল ২০-৩০ মিনিটের জন্যshort trips দেয়, আবার কিছু পুরো দিন ধরে হ্রদের চারপাশে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ করে দেয়। যারা একটু অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ করেন, তারা উটলিবার্গের আশেপাশে হাইকিং বা মাউন্টেন বাইকিংয়ের জন্য যেতে পারেন। এখানকার প্রধান শপিং স্ট্রিট, বাহনহফস্ট্রেসে (Bahnhofstrasse), বিশ্বের অন্যতম বিলাসবহুল শপিং স্ট্রিট হিসেবে পরিচিত। ব্র্যান্ডেড সামগ্রী থেকে শুরু করে সুইস ঘড়ি, সবকিছুই এখানে পাওয়া যায়। তবে, শুধু উইন্ডো শপিং করলেও মন ভরে যায়। জুরিখের খাবারের সম্ভারও বেশ সমৃদ্ধ। ঐতিহ্যবাহী সুইস খাবার যেমন ফন্ডু (fondue) বা রেকললেট (raclette)-এর স্বাদ নিতে পারেন স্থানীয় রেস্টুরেন্টগুলিতে।
উটলিবার্গ (Uetliberg)
★ 4.5📍 জুরিখ· €বাসেল থেকে ট্রেনে প্রায় ১ ঘণ্টা। এখান থেকে জুরিখ শহর এবং আল্পসের মনোরম দৃশ্য দেখা যায়। উটলিবার্গের চূড়ায় পৌঁছাতে একটি ছোট ট্রেন ব্যবহার করা হয়।
জুরিখ ওল্ড টাউন (Altstadt)
★ 4.4📍 জুরিখ· €€বাসেল থেকে ট্রেনে প্রায় ৪০ মিনিট। সরু রাস্তা, ঐতিহাসিক গির্জা এবং সুন্দর ক্যাফেগুলির জন্য পরিচিত। এখানে গ্রোসুমুন্স্টার এবং ফ্রাউমুন্স্টার গির্জা অবস্থিত।
জুরিখ হ্রদ (Lake Zurich)
★ 4.6📍 জুরিখ· €€শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। হ্রদে বোটিং এবং চারপাশে হেঁটে বেড়ানোর জন্য আদর্শ। গ্রীষ্মকালে এটি খুব জনপ্রিয়।
কলমার, ফ্রান্স: অ্যালসেসিয় স্থাপত্যের জাদু
বাসেল থেকে ট্রেনে মাত্র ৩০-৪০ মিনিট দূরত্বে ফ্রান্সের আলসেস (Alsace) অঞ্চলের মনোমুগ্ধকর শহর কলমার (Colmar) অবস্থিত। এটি যেন একটি রূপকথার পাতা থেকে উঠে আসা শহর, যেখানে রঙিন ঘরবাড়ি, সরু পাকা রাস্তা এবং খালের ধারের মনোরম দৃশ্য আপনার মন জয় করে নেবে। কলমারকে প্রায়শই 'লিটল ভেনিস' (Petite Venise) বলা হয়, কারণ শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া এই খালের পাশে সুন্দর সব বাড়িঘর দেখা যায়। এখানে আপনি একটি ছোট বোট রাইড নিতে পারেন, যা আপনাকে শহরের এক ভিন্ন রূপ দেখাবে। এখানকার স্থাপত্যশৈলী জার্মান এবং ফরাসি সংস্কৃতির মিশ্রণে তৈরি, যা শহরটিকে একটি অনন্য পরিচিতি দিয়েছে। কলমারের ওল্ড টাউন, মার্কেট হল এবং আউনটারলিন্ডেন মিউজিয়াম (Musée Unterlinden), যেখানে ইসেনহাইম আ্যাল্টারপিস (Isenheim Altarpiece) রয়েছে, সেগুলি দেখার মতো। কলমার একটি তুলনামূলকভাবে ছোট শহর, তাই এটি একটি অর্ধেক দিনের ভ্রমণ বা পুরো দিনের জন্যও উপযুক্ত হতে পারে। বসন্তকাল (এপ্রিল-মে) এবং শরৎকাল (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) এখানে ভ্রমণের সেরা সময়, যখন আবহাওয়া খুব মনোরম থাকে এবং পর্যটকদের ভিড়ও তুলনামূলকভাবে কম থাকে। ট্রেনে সরাসরি কলমার যাওয়া যায় এবং সেখানে গাড়ি ছাড়াই সম্পূর্ণ শহর পায়ে হেঁটে ঘোরা সম্ভব। ফরাসি খাবার এবং আলসেস ওয়াইনের স্বাদ নেওয়ার জন্য এটি একটি আদর্শ জায়গা। স্থানীয় ওয়াইন টেস্টিং ট্যুর আয়োজন করা হয়, যা একা ভ্রমণকারীরা গ্রুপে যোগ দিয়ে করতে পারেন।
লিটল ভেনিস (Petite Venise)
★ 4.6📍 কলমার, ফ্রান্স· €নৌকাভ্রমণের জন্য চমৎকার জায়গা। রঙিন বাড়িগুলির সামনে দিয়ে খালের জলে ভেসে বেড়ানো এক স্বপ্নময় অভিজ্ঞতা।
আউনটারলিন্ডেন মিউজিয়াম (Musée Unterlinden)
★ 4.5📍 কলমার, ফ্রান্স· €€অনেক বিখ্যাত শিল্পকর্ম এখানে সংরক্ষিত আছে, যার মধ্যে ইসেনহাইম আ্যাল্টারপিস অন্যতম। এখানে পুরনো এবং আধুনিক শিল্পকলার সম্ভার রয়েছে।
কলমার মার্কেট হল (Marché Couvert)
★ 4.4📍 কলমার, ফ্রান্স· €স্থানীয় খাবার ও পণ্যের জন্য বিখ্যাত। এখানে স্যুভেনিয়ার কেনাকাটার পাশাপাশি স্থানীয় খাবারের স্বাদও নেওয়া যায়।
ফ্রাইবুর্গ, জার্মানি: ব্ল্যাক ফরেস্টের প্রবেশদ্বার
বাসেল থেকে মাত্র ১ ঘণ্টার ট্রেনে পৌঁছে যাওয়া যায় জার্মানির ফ্রাইবুর্গ (Freiburg im Breisgau) শহরে। এটি ব্ল্যাক ফরেস্ট (Black Forest) অঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত এবং তার রঙিন, আধুনিক জীবনধারা ও ঐতিহাসিক স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত। শহরটির কেন্দ্রস্থলে রয়েছে সুন্দর মার্কেট স্কোয়ার (Münsterplatz), যেখানে ফ্রাইবুর্গ ক্যাথিড্রাল (Freiburg Minster) অবস্থিত - যার চূড়া থেকে পুরো শহরের এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের এক চমৎকার দৃশ্য দেখা যায়। শহরের রাস্তায় ঘুরে বেড়ানোর সময় আপনি ছোট ছোট নালা বা 'বাইলেচেন' (Bächle) দেখতে পাবেন, যা একটি বিশেষ আকর্ষণ। কথিত আছে, যে কেউ ভুল করে এই নালায় পড়ে যাবে, তার সাথে ফ্রাইবুর্গের কোনও স্থানীয় মেয়ের বিয়ে হবে! এটি একটি মজার বিশ্বাস যা পর্যটকদের আকর্ষণ করে। ফ্রাইবুর্গ তার পরিবেশ-বান্ধব নীতি এবং সবুজ স্থাপত্যের জন্য সুপরিচিত। ভেরডুন (Vauban) এলাকাটি এর একটি চমৎকার উদাহরণ। এখানকার সোলার প্যানেলযুক্ত বাড়ি এবং সবুজ ছাদগুলি দেখলে বোঝা যায় শহরটি পরিবেশ নিয়ে কতটা সচেতন। ব্ল্যাক ফরেস্টের হাইকিং ট্রেলগুলিতে যাওয়ার এটি একটি সেরা সূচনা বিন্দু। আপনি একটি পুরো দিন ফ্রাইবুর্গ শহর ঘুরে দেখতে এবং এর আশেপাশের প্রকৃতি অন্বেষণ করতে ব্যবহার করতে পারেন। এপ্রিল থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত এখানকার আবহাওয়া সাধারণত ভ্রমণের জন্য বেশ অনুকূল থাকে। গাড়ি ছাড়াই ফ্রাইবুর্গ এবং ব্ল্যাক ফরেস্টের কিছু অংশ অন্বেষণ করা সম্ভব, কারণ শহরের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা খুব উন্নত।
ফ্রাইবুর্গ মিনস্টার (Freiburg Minster)
★ 4.7📍 Münsterplatz, ফ্রাইবুর্গ, জার্মানি· €গথিক স্থাপত্যের এক অসাধারণ নিদর্শন। টাওয়ারে উঠে শহর ও ব্ল্যাক ফরেস্টের ৩৬০-ডিগ্রি ভিউ পাওয়া যায়।
ফ্রাইবুর্গ ওল্ড টাউন (Freiburg Old Town)
★ 4.5📍 Münsterplatz, ফ্রাইবুর্গ, জার্মানি· €ঐতিহাসিক ভবন, বাইলেচেন (বাইলি) এবং সরু রাস্তা দিয়ে ভরা। মার্কেট স্কোয়ার এবং টাউন হল এখানকার প্রধান আকর্ষণ।
ভেরডুন (Vauban)
★ 4.3📍 ফ্রাইবুর্গ, জার্মানি· €ইউরোপের অন্যতম টেকসই একটি এলাকা। পরিবেশ-বান্ধব স্থাপত্য, সোলার প্যানেলযুক্ত বাড়ি এবং সবুজ ছাদ এখানকার বৈশিষ্ট্য।
বেলিনসোনা, সুইজারল্যান্ড: ক্যাসল ট্রায়াঙ্গেলের রহস্য
বাসেল থেকে একটু দূরে, তবে একটি দিনে ভ্রমণ করার মতো একটি অসাধারণ গন্তব্য হলো বেলিনসোনা (Bellinzona), যা সুইজারল্যান্ডের টিচিনো (Ticino) ক্যান্টনে অবস্থিত। এখানে তিনটি দুর্গ (Castelli di Bellinzona) ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত। এই দুর্গগুলি মধ্যযুগীয় সামরিক স্থাপত্যের অসাধারণ নিদর্শন এবং এদের একটি সুবিশাল প্রাচীর শহরটিকে ঘিরে রেখেছে। ক্যাসেলোগ্রান্ডে (Castelgrande), মন্টিবেনো (Montebello) এবং স্যাসো করবারো (Sasso Corbaro) – এই তিনটি দুর্গকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকাটি ঘুরে দেখা এক দারুণ অভিজ্ঞতা। ক্যাসেলোগ্রান্ডে হলো সবচেয়ে বড় এবং ঐতিহাসিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ, যা শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি পাহাড়ের উপর অবস্থিত। এখান থেকে আশেপাশের উপত্যকার সুন্দর দৃশ্য দেখা যায়। মন্টিবেনো দুর্গটি একটু উঁচু জায়গায় অবস্থিত এবং এখান থেকেও সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করা যায়। স্যাসো করবারো হলো সবচেয়ে উঁচু দুর্গ, যা পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এবং এখান থেকে টিচিনো উপত্যকার বিশাল অংশ দেখা যায়। বেলিনসোনা পৌঁছাতে ট্রেনে প্রায় ২.৫ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় লাগে, তাই এটি একটি পুরো দিনের ভ্রমণের জন্য আদর্শ। এখানে হেঁটে দুর্গে ওঠা-নামা করা যায়, তবে স্যাসো করবারোর জন্য বাস বা ট্যাক্সি ব্যবহার করা যেতে পারে। বসন্ত (এপ্রিল-মে) এবং শরৎ (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) মাস এখানকার আবহাওয়া ভ্রমণের জন্য খুবই উপযুক্ত থাকে। এই দুর্গগুলিতে ভ্রমণ করলে আপনি মধ্যযুগীয় ইতিহাসের গভীরে ডুব দিতে পারবেন। স্থানীয় টিচিনো অঞ্চলের খাবারের স্বাদ নেওয়ার সুযোগও এখানে পাওয়া যায়।
ক্যাসেলোগ্রান্ডে (Castelgrande)
★ 4.5📍 বেলিনসোনা, সুইজারল্যান্ড· €তিনটি দুর্গের মধ্যে বৃহত্তম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটি শহরের কেন্দ্রে পাহাড়ের উপর অবস্থিত এবং এখান থেকে চমৎকার দৃশ্য দেখা যায়।
মন্টিবেনো দুর্গ (Castello di Montebello)
★ 4.4📍 বেলিনসোনা, সুইজারল্যান্ড· €ক্যাসেলোগ্রান্ডের উত্তরে একটি পাহাড়ের উপর অবস্থিত, যা আরও সুন্দর প্যানোরামিক দৃশ্যের সুযোগ দেয়।
স্যাসো করবারো দুর্গ (Castello di Sasso Corbaro)
★ 4.3📍 বেলিনসোনা, সুইজারল্যান্ড· €তিনটি দুর্গের মধ্যে সর্বোচ্চ। টিচিনো উপত্যকার বিস্তৃত দৃশ্যের জন্য পরিচিত।
লুসার্ন: হ্রদ ও পাহাড়ের মনোমুগ্ধকর শহর
বাসেল থেকে ট্রেনে মাত্র একটি ঘণ্টা দূরত্বে অবস্থিত লুসার্ন (Lucerne) শহরটি সুইজারল্যান্ডের অন্যতম সুন্দর শহর। ফিয়ের্স্টেন (Vierwaldstättersee) হ্রদের তীরে অবস্থিত এই শহরটি তার ঐতিহাসিক কাঠের সেতু, ওয়াটার টাওয়ার (Water Tower) এবং আল্পসের নয়নাভিরাম দৃশ্যের জন্য বিখ্যাত। লুসার্ন ভ্রমণ মানেই যেন ছবির মতো সুন্দর একটি জগতে প্রবেশ করা। এখানকার প্রধান আকর্ষণ হলো চ্যাপেল ব্রিজ (Chapel Bridge) বা কাপেলব্রুক (Kapellbrücke), যা ইউরোপের প্রাচীনতম আচ্ছাদিত কাঠের সেতুগুলির মধ্যে একটি। সেতুর উপর টাউন হলেaised প্যানেলগুলি শহরের ইতিহাস তুলে ধরে। লুসার্নের ওল্ড টাউন (Altstadt) তার বারোক স্থাপত্য, সরু রাস্তা এবং সুন্দর স্কোয়ারগুলির জন্য পরিচিত। এখানে অনেক পুরনো গির্জা, দোকান এবং ক্যাফে রয়েছে। আপনি যদি পাহাড়ের চূড়া থেকে শহরের দৃশ্য দেখতে চান, তাহলে মাউন্ট রিগি (Mount Rigi) বা মাউন্ট পিল্যাটুস (Mount Pilatus)-এর দিকে যেতে পারেন। রিগি, 'পাহাড়ের রানী' নামে পরিচিত, যেখানে ট্রেনে করে ওঠা যায় এবং সেখান থেকে হ্রদ ও চারপাশের দৃশ্যাবলী মন মুগ্ধ করে দেয়। পিল্যাটুসও একই রকম অভিজ্ঞতা দেবে, যেখানে কেবল কার বা ট্রেনে করে যাওয়া যায়। লুসার্ন শহর এবং এর আশেপাশের প্রকৃতি অন্বেষণের জন্য একটি পুরো দিনের প্রয়োজন। গ্রীষ্ম ও শরৎকালে (মে-অক্টোবর) এখানে ভ্রমণের সেরা সময়। শহরটি গাড়ি ছাড়াই অনায়াসে ঘুরে দেখা যায়, কারণ পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা খুবই উন্নত। এখানকার লেক ক্রুজগুলিও খুব জনপ্রিয়।
চ্যাপেল ব্রিজ (Kapellbrücke)
★ 4.6📍 লুসার্ন, সুইজারল্যান্ড· €ইউরোপের প্রাচীনতম কাঠের সেতুগুলির একটি। এর ওয়াটার টাওয়ার এবং সেতুর ভেতরের চিত্রকর্মগুলি দেখার মতো।
লুসার্ন ওল্ড টাউন (Altstadt)
★ 4.5📍 লুসার্ন, সুইজারল্যান্ড· €বারোক স্থাপত্য, সুন্দর স্কোয়ার এবং ঐতিহাসিক ভবনগুলির জন্য পরিচিত। পায়ে হেঁটে ঘোরার জন্য আদর্শ।
মাউন্ট রিগি (Mount Rigi)
★ 4.7📍 লুসার্ন, সুইজারল্যান্ড· €€পাহাড়ের রানী নামে পরিচিত। ট্রেনে করে উপরে ওঠা যায় এবং চারপাশের সুন্দর দৃশ্য দেখা যায়। লেক লুসার্নের দৃশ্য এখান থেকে অসাধারণ।
মাউন্ট পিল্যাটুস (Mount Pilatus)
★ 4.6📍 লুসার্ন, সুইজারল্যান্ড· €€কেবল কার বা ট্রেনে করে যাওয়া যায়। এখান থেকেও লুসার্ন এবং আল্পসের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
ভ temperatura (Titisee-Neustadt), জার্মানি: ব্ল্যাক ফরেস্টের হৃদয়ে
যারা প্রকৃতি ও শান্ত BnB পছন্দ করেন, তাদের জন্য ব্ল্যাক ফরেস্টের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত টিটিজি (Titisee-Neustadt) একটি দারুণ গন্তব্য। বাসেল থেকে ট্রেনে প্রায় ১.৫ থেকে ২ ঘণ্টা সময় লাগে এখানে পৌঁছাতে। টিটিজি হ্রদ (Titisee Lake) এই শহরের প্রধান আকর্ষণ, যা ব্ল্যাক ফরেস্টের বৃহত্তম প্রাকৃতিক হ্রদ। গ্রীষ্মকালে এখানে জলক্রীড়া, যেমন সাঁতার, বোটিং এবং প্যাডেল বোটিংয়ের ব্যবস্থা থাকে। হ্রদের চারপাশে সুন্দর হাঁটার পথ রয়েছে, যা আপনাকে শান্ত ও মনোরম প্রকৃতি উপভোগ করার সুযোগ দেবে। টিটিজি গ্রামটি তার ঐতিহ্যবাহী ব্ল্যাক ফরেস্ট হাউস এবং হস্তশিল্পের দোকানের জন্য পরিচিত। এখানকার ক্যুক (Cuckoo) ঘড়িগুলি খুব বিখ্যাত, যা জার্মানির এই অঞ্চলের প্রতীক। আপনি যদি হাইকিং পছন্দ করেন, তবে টিটিজি থেকে ব্ল্যাক ফরেস্টের বিভিন্ন ট্রেকিং রুটে যেতে পারেন। এখানকার গভীর বন, পার্বত্য নদী এবং সবুজ উপত্যকা আপনাকে মুগ্ধ করবে। একটি পুরো দিন এখানে কাটানো যেতে পারে, অথবা আপনি যদি আরও গভীরে ব্ল্যাক ফরেস্ট অন্বেষণ করতে চান, তবে এখানে রাতারাতি থাকার কথাও ভাবতে পারেন। বসন্ত, গ্রীষ্ম এবং শরৎকাল এখানে ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে ভালো সময়। যদিও টিটিজি গাড়ি ছাড়া যাওয়া যায়, হ্রদের চারপাশ বা ব্ল্যাক ফরেস্টের আরও ভেতরের দিকে যেতে হলে স্থানীয় বাস বা ট্যাক্সি ব্যবহার করতে হতে পারে। স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী খাবার, যেমন ব্ল্যাক ফরেস্ট কেক (Schwarzwälder Kirschtorte) চেখে দেখতে ভুলবেন না।
টিটিজি হ্রদ (Titisee Lake)
★ 4.5📍 টিটিজি-নোয়ştadt, জার্মানি· €ব্ল্যাক ফরেস্টের বৃহত্তম প্রাকৃতিক হ্রদ। এখানে বোটিং, সাঁতার ও প্যাডেল বোটিংয়ের সুবিধা রয়েছে।
টিটিজি গ্রাম (Titisee Village)
★ 4.3📍 টিটিজি-নোয়ştadt, জার্মানি· €ঐতিহ্যবাহী ব্ল্যাক ফরেস্ট হাউস, ক্যুক ঘড়ির দোকান এবং স্থানীয় হস্তশিল্পের জন্য পরিচিত।
ব্ল্যাক ফরেস্ট হাইকিং ট্রেলস (Black Forest Hiking Trails)
★ 4.6📍 টিটিজি-নোয়ştadt, জার্মানি· €টিটিজি থেকে অনেক সুন্দর হাইকিং ট্রেল শুরু হয়েছে, যা গভীর বনানী ও সবুজ উপত্যকার মধ্য দিয়ে গেছে।
কোলোন, জার্মানি: ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও আধুনিকতা
বাসেল থেকে কোলোন (Cologne) একটি দীর্ঘ ডে ট্রিপ হতে পারে, তবে এটি অবশ্যই মূল্যবান। দ্রুতগতির ICE ট্রেনে যেতে প্রায় ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিটের মতো সময় লাগে। কোলোন জার্মানির চতুর্থ বৃহত্তম শহর এবং এর প্রধান আকর্ষণ হলো বিশ্ববিখ্যাত কোলোন ক্যাথিড্রাল (Cologne Cathedral) বা Kölner Dom। এই গথিক স্থাপত্যের বিস্ময়টি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান এবং এটি জার্মানির অন্যতম দর্শনীয় ল্যান্ডমার্ক। এর টাওয়ারে উঠে শহরের একটি শ্বাসরুদ্ধকর প্যানোরামিক ভিউ পাওয়া যায়। কোলোন ক্যাথিড্রাল ছাড়াও, শহরটিতে অনেক রোমান ও মধ্যযুগীয় স্থাপত্যের নিদর্শন রয়েছে। রাইন নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ায়, এখানে একটি সুন্দর প্রোমেনাড রয়েছে, যেখানে আপনি হেঁটে বেড়াতে পারেন বা রাইন নদীতে একটি বোট ক্রুজ নিতে পারেন। পুরনো শহর (Altstadt) তার রঙিন বাড়ি, ঐতিহ্যবাহী পাব এবং দোকানগুলির জন্য পরিচিত। কোলোন তার সমৃদ্ধ শিল্পকলা ও জাদুঘরের জন্যও বিখ্যাত, যেমন রোমান-জার্মানিক মিউজিয়াম (Römisch-Germanisches Museum) এবং ওয়ালরাফ-রিচার্টজ মিউজিয়াম (Wallraf-Richartz Museum)। কোলোন একটি পুরো দিনের ভ্রমণের জন্য খুবই উপযুক্ত, কারণ এখানে দেখার ও করার অনেক কিছু আছে। বসন্ত (এপ্রিল-মে) এবং শরৎ (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) মাস ভ্রমণের জন্য আদর্শ। দ্রুতগতির ট্রেন থাকায় গাড়ি ছাড়াই কোলোনে যাওয়া সহজ এবং শহরের মধ্যেই সবকিছু পায়ে হেঁটে বা পাবলিক ট্রান্সপোর্টে ঘুরে দেখা যায়। আপনি যদি আর্ট ও ইতিহাসের প্রতি আগ্রহী হন, তবে কোলোন আপনার জন্য একটি চমৎকার গন্তব্য হতে পারে।
কোলোন ক্যাথিড্রাল (Kölner Dom)
★ 4.7📍 Domkloster 4, 50667 Köln, জার্মানি· €গথিক স্থাপত্যের এক অসাধারণ নিদর্শন এবং ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। টাওয়ারে উঠে শহরের সুন্দর দৃশ্য দেখা যায়।
কোলোন ওল্ড টাউন (Altstadt)
★ 4.3📍 কোলোন, জার্মানি· €রঙিন বাড়ি, ঐতিহ্যবাহী পাব এবং ছোট ছোট রাস্তা নিয়ে গঠিত। রাইন নদীর পাশে হাঁটার জন্য মনোরম।
রোমান-জার্মানিক মিউজিয়াম (Römisch-Germanisches Museum)
★ 4.4📍 Roncalliplatz 4, 50667 Köln, জার্মানি· €€প্রাচীন রোমান এবং জার্মানিক সভ্যতার নিদর্শন এখানে সংরক্ষিত আছে। ট্রাইয়ের (Trier) মোজাইক ফ্লোরটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
হাইকিং ও প্রকৃতির সান্নিধ্য: ভসজেস (Vosges) পর্বতমালা, ফ্রান্স
যারা প্রকৃতি ভালোবাসেন এবং হাইকিং করতে চান, তাদের জন্য বাসেল থেকে ভসজেস (Vosges) পর্বতমালা একটি দুর্দান্ত বিকল্প। এটি ফ্রান্সের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত এবং বাসেল থেকে ট্রেনে বা গাড়িতে প্রায় ২-৩ ঘণ্টার মধ্যে এর কিছু অংশে পৌঁছানো যায়। ভসজেস পর্বতমালা তার সুন্দর উপত্যকা, পরিষ্কার হ্রদ এবং ঢেউ খেলানো পাহাড়ের জন্য পরিচিত। এখানে বিভিন্ন স্তরের হাইকিং ট্রেল রয়েছে, যা নতুন এবং অভিজ্ঞ হাইকার উভয়ের জন্যই উপযুক্ত। একটি জনপ্রিয় রুট হলো গ্র্যান্ডে ডস্ট (Grand Ballon), যা ভসজেসের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ। এখান থেকে আশেপাশের অঞ্চলের একটি বিস্তৃত দৃশ্য দেখা যায়। এছাড়াও, লেক ড’আলস্ট (Lac d'Altenweiher) বা লেক ব্ল্যাঞ্চ (Lac Blanc)-এর মতো সুন্দর হ্রদের পাশে হাঁটাটাও খুব মনোরম। ভসজেস অঞ্চলে অনেক ঐতিহ্যবাহী আলসেসিয়ান গ্রামও রয়েছে, যেমন রিকুইইর (Riquewihr) বা এগুইসেইম (Eguisheim), যা আপনি হাইকিংয়ের পাশাপাশি ঘুরে দেখতে পারেন। এই গ্রামগুলি তাদের রঙিন বাড়ি এবং ফুলের সাজসজ্জার জন্য বিখ্যাত। ভসজেসে ভ্রমণের সেরা সময় হলো গ্রীষ্মকাল (জুন-আগস্ট), যখন আবহাওয়া হাইকিংয়ের জন্য অনুকূল থাকে। তবে, শরৎকালেও (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) এখানকার রঙিন পাতাগুলি দেখতে চমৎকার লাগে। গাড়ি থাকলে এখানে ভ্রমণ করা সহজ, কারণ অনেক রুটে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সীমিত। তবে, কিছু প্রধান গ্রাম বা পর্যটন কেন্দ্র পর্যন্ত বাস পরিষেবা উপলব্ধ। যারা একটু অ্যাডভেঞ্চার এবং প্রকৃতির মাঝে শান্ত সময় কাটাতে চান, তাদের জন্য ভসজেস একটি আদর্শ ডে ট্রিপ।
গ্র্যান্ডে ডস্ট (Grand Ballon)
★ 4.6📍 ভসজেস পর্বতমালা, ফ্রান্স· €ভসজেসের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ। এখান থেকে আল্পস এবং ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্যন্ত প্যানোরামিক ভিউ পাওয়া যায়। হাইকিংয়ের জন্য জনপ্রিয়।
লেক ব্ল্যাঞ্চ (Lac Blanc)
★ 4.5📍 ভসজেস পর্বতমালা, ফ্রান্স· €একটি সুন্দর পার্বত্য হ্রদ, যা হাইকিং এবং শান্ত প্রকৃতি উপভোগের জন্য আদর্শ।
রিকুইইর (Riquewihr)
★ 4.5📍 আলসেস, ফ্রান্স· €একটি সুন্দর সংরক্ষিত মধ্যযুগীয় গ্রাম, যা তার রঙিন বাড়ি এবং সরু রাস্তার জন্য পরিচিত।